1. admin@dainikbangladeshtimes.com : rony :
বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০২৪, ০১:০৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
তালার শিল্পকলা একাডেমিতে দলিত নারীদের সামাজিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত। তালার শিল্পকলা একাডেমিতে কিশোরীদের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিষয়ক ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত বৈষম্য দুরীকরণের দাবিতে সাতক্ষীরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিতে কর্মবিরতি। বাল্যবিবাহ ও ড্রপ-আউট প্রতিরোধে ডিইএফ’র কিশোরীদের ডোর টু ডোর ক্যাম্পেইন করার উদ্যোগ গ্রহন তালা উপজেলা নির্বাচনে মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিনে চেয়ারম্যান পদে ঘোষ সনৎ কুমারের মনোনয়নপত্র দাখিল আজ ১৭ এপ্রিল ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস আগামীকাল, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ ৪নং কুমিরা ইউনিয়ন শাখার তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক বাসুদেব দাশের পক্ষ থেকে বিনম্র শ্রদ্ধা চৈত্র সংক্রান্তিতে উদযাপিত হলো চড়ক পূজা, জেনে নিন এই উৎসবের ইতিহাস দৈনিক বাংলাদেশ টাইমস এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক বাসুদেব দাশ দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তালায় কিশোরীদের উপবৃত্তি প্রদান এবং বাল্য বিবাহ ও ড্রপ-আউট প্রতিরোধ বিষয়ক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

কালের আবর্তে হারিয়ে যাচ্ছে ঐতিহ্যবাহী মৃৎশিল্প

এম এম নুর আলম
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৩
  • ৬৭ বার পড়া হয়েছে

আশাশুনী (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি: কালের আবর্তে ক্রমেই হারিয়ে যাচ্ছে সাতক্ষীরার ঐতিহ্য মৃৎশিল্প। নানান সমস্যা আর পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে আজ সংকটের মুখে এ শিল্পীরা। জেলার আশাশুনিসহ বিভিন্ন উপজেলায় ঘুরে দেখা যায়, কুমোরপাড়াগুলো যেন শিল্পীর তুলিতে আঁকা একটি সোনালী ছবি। অসংখ্য কুটিরের নয়নাভিরাম মৃৎ শিল্পীদের যা সহজেই যে কারোর মনকে আনন্দিত করে। এক সময় জেলার এই কুমোরপাড়াগুলো মৃৎ শিল্পীর জন্য বিখ্যাত ছিল। বিজ্ঞানের জয়যাত্রা প্রযুক্তির উন্নয়ন নতুন নতুন শিল্প সামগ্রীর প্রসারের কারণে এবং প্রয়োজনীয় পৃষ্টপোষকতা ও অনুকুল বাজারের অভাবে এ শিল্প আজ বিলপ্তির পথে। মৃৎ শিল্পীদের অধিকাংশ পাল সম্প্রদায়ের প্রাচীন কাল থেকে ধর্মীয় অর্থ-সামাজিক কারণে মৃৎশিল্পে শ্রেণিভুক্ত সমাজের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল। পরে অন্য সম্প্রদায় ও মৃৎ শিল্পকে পেশা হিসাবে গ্রহণ করে। বর্তমান বাজারে দস্তা, এ্যালুমিনিয়াম ও প্লাষ্টিকের পত্রের চাহিদার কারণে এখন আর আগের মত মাটির জিনিসের চাহিদা কমতে চলেছে। ফলে ক্রেতারা মাটির জিনিসপত্র আগের মতো আগ্রহের সঙ্গে ক্রয় করে না। সে কারণে অনেক পুরানো শিল্পরাও পেশা বদল করতে বাধ্য হচ্ছেন। যুগের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে মাটির জিনিসপত্র তার পুরানো ঐতিহ্য হারিয়ে ফেলছে। আর এ পেশায় যারা জড়িত এবং যাদের জীবিকার একমাত্র অবলম্বন মৃৎশিল্প, তাদের জীবন যাপন একেবারেই কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। দুঃখ কষ্টের মধ্যে দিন কাটালেও জেলার মৃৎশিল্পীরা এখনো স্বপ্ন দেখেন, কোন একদিন কদর বাড়বে মাটির পণ্যের। সেদিন হয়তো আবার তাদের পরিবারে ফিরে আসবে সুখ শান্তি। এব্যাপারে আশাশুনি সদরের পালপাড়া এলাকার কয়েকজন মৃৎ শিল্পী বলেন, মাটির জিনিসের বিক্রয় একে বারে নাই বললেও চলে। এতে করে আমরা ন্যায্য মূল্যে পাই না। আগের সময় ছাড়া এখন প্রায় অর্ধেক মূল্যে বিক্রয় করতে হচ্ছে। এছাড়া জ্বালানির মূল্য বেড়ে যাওয়ায় উৎপাদন ও বিক্রির সঙ্গে মিল না থাকায় প্রতিনিয়ত লোকসান গুনতে হচ্ছে। আমাদের প্রতিটা জিনিস তৈরি করতে যে খরচ আর আমরা যে দামে বিক্রয় করি তাতে সংসার চালানো কষ্ট সাধ্য হয়ে যায়। সচেতন মহল মনে করেন, বর্তমান সমায়ে আধুনিকতার ছোঁয়ায় মৃৎশিল্পের তৈরী কৃত পণ্যের চাহিদা কম। এছাড়া বিজ্ঞান সম্মত ভাবে প্রস্তুত করা জিনিস ব্যবহার করছেন সাধারণ ক্রেতারা, তাই মৃৎশিল্প দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে। আর আমরা প্রাচীন সংস্কৃতিকে দিন দিন হারিয়ে ফেলছি। তাই মৃৎশিল্পকে বাঁচিয়ে রেখে বাজার সৃষ্টি করা জরুরী।

এই সংবাদ টি সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ
আমাদের এই খানে প্রকাশিত সংবাদ সম্পুর্ন আমাদের প্রতিনিধিদের কাছ থেকে পাওয়া। কোনো প্রকার মিথ্যা নিউজ হলে কর্তৃপক্ষ দায়ী থাকবে না সম্পুর্ন দায়ী থাকবে নিউজ প্রেরণ কারী সাংবাদিক।
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: FT It
error: Content is protected !!