1. admin@dainikbangladeshtimes.com : rony :
বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০২৪, ০২:২৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
তালার শিল্পকলা একাডেমিতে দলিত নারীদের সামাজিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত। তালার শিল্পকলা একাডেমিতে কিশোরীদের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিষয়ক ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত বৈষম্য দুরীকরণের দাবিতে সাতক্ষীরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিতে কর্মবিরতি। বাল্যবিবাহ ও ড্রপ-আউট প্রতিরোধে ডিইএফ’র কিশোরীদের ডোর টু ডোর ক্যাম্পেইন করার উদ্যোগ গ্রহন তালা উপজেলা নির্বাচনে মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিনে চেয়ারম্যান পদে ঘোষ সনৎ কুমারের মনোনয়নপত্র দাখিল আজ ১৭ এপ্রিল ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস আগামীকাল, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ ৪নং কুমিরা ইউনিয়ন শাখার তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক বাসুদেব দাশের পক্ষ থেকে বিনম্র শ্রদ্ধা চৈত্র সংক্রান্তিতে উদযাপিত হলো চড়ক পূজা, জেনে নিন এই উৎসবের ইতিহাস দৈনিক বাংলাদেশ টাইমস এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক বাসুদেব দাশ দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তালায় কিশোরীদের উপবৃত্তি প্রদান এবং বাল্য বিবাহ ও ড্রপ-আউট প্রতিরোধ বিষয়ক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

চৈত্র সংক্রান্তিতে উদযাপিত হলো চড়ক পূজা, জেনে নিন এই উৎসবের ইতিহাস

সাংবাদিক নাম
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৪
  • ৮৬ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক
কথায় আছে, বাঙালীর বারো মাসে তেরো পার্বণ। এই কথাটা যে কতখানি সত্যি তা আমরা সকলেই জানি। উৎসব শুরু হয় পয়লা বৈশাখ দিয়ে, আর শেষ হয় চৈত্র সংক্রান্তির মাধ্যমে। প্রতিটি উৎসবই কিছু না কিছু মাঙ্গলিক বার্তা বহন করে। বাঙালীর এই সমস্ত উৎসবের মধ্যে চৈত্র সংক্রান্তি ও চড়কের পুজো বেশ বিখ্যাত। এটি মূলত বাঙালী হিন্দুদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ লোকোৎসব। বাংলা ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, প্রতিবছর চৈত্র মাসের শেষ দিন বা চৈত্র সংক্রান্তিতে এই উৎসব পালিত হয়। চড়কের ঠিক আগের দিন নীলষষ্ঠী পালিত হয়। আর, নববর্ষের প্রথম দু-তিন দিনব্যাপী চড়ক পূজার উৎসবও চলে। এই পূজার বিভিন্ন নাম রয়েছে – নীল পূজা, গম্ভীরা পূজা, শিবের গাজন ইত্যাদি। এবছর ১৪ এপ্রিল পড়েছে চড়ক পূজা। কিন্তু জানেন কি এই চড়ক পূজার উদ্ভব কীভাবে?
চড়ক পূজার ইতিহাস
চড়ক কীভাবে এসেছে, তা নিয়ে রয়েছে নানা মুনির নানা মত। এর সঠিক ইতিহাস এখনও তেমন পরিষ্কার নয়। তবে প্রচলিত রয়েছে, রাজা সুন্দরানন্দ ঠাকুর ১৪৮৫ সালে এই পুজোর প্রচলন করেন। তবে রাজ পরিবারের লোকজন এই পুজো আরম্ভ করলেও চড়ক পুজো কখনও রাজবাড়ির পুজো ছিল না, বরং এটি ছিল হিন্দু সমাজের লোকসংস্কৃতি। তবে সব পুজোয় ব্রাহ্মণ প্রয়োজন হলেও, এই পুজোর ক্ষেত্রে কিন্তু নিয়ম একেবারেই আলাদা। শোনা যায়, চড়ক পুজোর সন্ন্যাসীরা প্রত্যেকেই ছিলেন হিন্দু ধর্মের তথাকথিত নীচু সম্প্রদায়ের লোক। তাই এই পূজায় এখনও কোনও ব্রাহ্মণের প্রয়োজন পড়ে না।

চড়ক পূজার নিয়ম
চড়ক পূজার আগের দিন চড়ক গাছকে ভাল করে ধুয়ে-মুছে পরিষ্কার করা হয়। তারপর জলভরা একটি পাত্রে শিবলিঙ্গ রাখা হয়, যা ‘বুড়োশিব’ নামে পরিচিত। এই পুজো করেন পতিত ব্রাহ্মণরা। চড়কগাছে সন্ন্যাসীদের চাকার সঙ্গে বেঁধে দ্রুতবেগে ঘুরিয়ে দেওয়া হয়। তার পিঠে, হাতে, পায়ে, শরীরের অন্যান্য অঙ্গে জ্বলন্ত বাণ শলাকা ঢুকিয়ে দেওয়ার রীতিও রয়েছে। এছাড়াও, কুমিরের পুজো, জ্বলন্ত অঙ্গারের ওপর হাঁটা, গায়ে ধারালো জিনিস ফোটানো, ধারালো কিছুর ওপর লাফানো, শিবের বিয়ে, অগ্নিনৃত্য, ইত্যাদি এই পুজোর বিশেষ অঙ্গ হিসেবে মনে করা হয়।

চড়ক পুজোর উৎসবে যারা অংশ নেয়, তারা বিভিন্ন রকমের দৈহিক যন্ত্রণা সহ্য করে মনোরঞ্জন করে, যা ধর্মের অঙ্গ বলে বিশ্বাস করা হয়। এই সব পুজোর মূলে রয়েছে ভূতপ্রেত ও পুনর্জন্মবাদের ওপর বিশ্বাস। মূলত গ্রামাঞ্চলে এই উৎসব উদযাপন করা হয়। চড়কের জন্য বিশেষ মেলাও বসে।

এই সংবাদ টি সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ
আমাদের এই খানে প্রকাশিত সংবাদ সম্পুর্ন আমাদের প্রতিনিধিদের কাছ থেকে পাওয়া। কোনো প্রকার মিথ্যা নিউজ হলে কর্তৃপক্ষ দায়ী থাকবে না সম্পুর্ন দায়ী থাকবে নিউজ প্রেরণ কারী সাংবাদিক।
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: FT It
error: Content is protected !!