1. admin@dainikbangladeshtimes.com : rony :
বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০২৪, ০২:১৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
তালার শিল্পকলা একাডেমিতে দলিত নারীদের সামাজিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত। তালার শিল্পকলা একাডেমিতে কিশোরীদের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিষয়ক ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত বৈষম্য দুরীকরণের দাবিতে সাতক্ষীরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিতে কর্মবিরতি। বাল্যবিবাহ ও ড্রপ-আউট প্রতিরোধে ডিইএফ’র কিশোরীদের ডোর টু ডোর ক্যাম্পেইন করার উদ্যোগ গ্রহন তালা উপজেলা নির্বাচনে মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিনে চেয়ারম্যান পদে ঘোষ সনৎ কুমারের মনোনয়নপত্র দাখিল আজ ১৭ এপ্রিল ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস আগামীকাল, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ ৪নং কুমিরা ইউনিয়ন শাখার তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক বাসুদেব দাশের পক্ষ থেকে বিনম্র শ্রদ্ধা চৈত্র সংক্রান্তিতে উদযাপিত হলো চড়ক পূজা, জেনে নিন এই উৎসবের ইতিহাস দৈনিক বাংলাদেশ টাইমস এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক বাসুদেব দাশ দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তালায় কিশোরীদের উপবৃত্তি প্রদান এবং বাল্য বিবাহ ও ড্রপ-আউট প্রতিরোধ বিষয়ক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

বিলুপ্তির পথে ঐতিহ্যবাহী প্রাচীন বাহন পালকি

এম এম নুর আলম
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৩
  • ৭০ বার পড়া হয়েছে

আশাশুনী (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি:গ্রাম-বাংলার হাজার বছরের প্রাচীন বিয়ের ঐতিহ্য পালকি। এ বাহনে চড়া দারুণ মজা। বিয়ে উৎসবে পালকির কদর ছিল সবচেয়ে বেশি। একটা সময় ছিল বিয়েতে পালকিই চাই। গ্রামীণ আঁকা-বাঁকা মেঠো পথে, কখনও আলপথে বর-কনে পালকি চড়ে উভয়ের শ্বশুর বাড়িতে আসা-যাওয়ার আনন্দঘন একটা দারুণ সময় ছিল। গাঁও-গ্রামের পথে পালকিতে করে নববধূকে নিয়ে যাওয়ার দৃশ্য উঁকি-ঝুঁকি দিয়ে মন জুড়াতে গাঁয়ের বধূ, কখনও মা-চাচি, উঠতি বয়সের চঞ্চল মেয়েরাও বাদ পড়েনি। পালকি মানুষের ঐতিহ্যবাহী প্রাচীন বাহন ছিল। সাধারণত বর-কনের জন্য পালকি হলেও এ বাহনটি ছিল রাজ রাজাদের একমাত্র বাহন। আধুনিক আমলের গাড়ির প্রচলন ছিল না বলে অভিজাত শ্রেণীর লোকেরা পালকিতে চড়েই যাতায়াত করত। পালকি রাজা-বাদশাদের জন্য চেয়ারের মতো করে নির্মাণশৈলীতে তৈরি করা হতো। পালকির অপর নাম ছিল পালঙ্ক। এটি এপার-ওপার দু’বাংলায় পালকি নামেই পরিচিত। তবে কোনো কোনো জায়গায় পালকিকে ডুলি বা শিবিকা ও দোলনা হিসেবেও চেনে। বরকে যখন পালকিতে বেহারারা বহন করে নির্দিষ্ট ছন্দের তালে তালে, তাল মিলিয়ে নেচে-গেয়ে পা ফেলে চলত। তার অনুভূতি এখনও অনুভব করে বৃদ্ধরা। পালকি সচরাচর দু’রকমের হয়ে থাকে যেমন আয়না পালকি ও ময়ূরপঙ্খি নামেও স্থান পায় কোনো কোনো এলাকায়। পালকিতে পাখি, পুতুল ও লতাপাতার নকশা মানুষকে বিমোহিত করত। গ্রামবাংলার প্রত্যন্ত অঞ্চলে দীর্ঘদিন ধরে বিয়ের অনুষ্ঠানে বর-কনের জন্য পালকি ব্যবহারের প্রথা চালু ছিল। তবে প্রকৃতি থেকে একেবারে বিলীন না হলেও হয়তো কোথাও কোথাও এখনও টিকে আছে। ধারণা করা যেতে পারে বিলুপ্তির পথে। প্রাচীনকাল থেকেই রাজা-বাদশারা এবং জমিদার শ্রেণী ছাড়া বেহারাদের প্রতি তেমন একটা সুনজর ছিল না, কোনো রকমে বেহারাদের জীবন ও জীবিকা চলত। সেই সময়ে স্থায়ী বেহারা রাখা ছিল খুবই ব্যয়সাধ্য ব্যাপার। প্রাচীনকালে বাহকদের সাজ পোশাকেও ছিল রকমারি পাগড়ি পাশাপাশি গায়ে থাকত লাল রঙের ব্যয়সাধ্য জোব্বা। ঐতিহ্যবাহী প্রাচীন বাহন পালকি আজ বিলুপ্তির দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গেছে।

এই সংবাদ টি সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ
আমাদের এই খানে প্রকাশিত সংবাদ সম্পুর্ন আমাদের প্রতিনিধিদের কাছ থেকে পাওয়া। কোনো প্রকার মিথ্যা নিউজ হলে কর্তৃপক্ষ দায়ী থাকবে না সম্পুর্ন দায়ী থাকবে নিউজ প্রেরণ কারী সাংবাদিক।
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: FT It
error: Content is protected !!